অর্থনীতি

চাকরি ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণঃ পল্টন থানার ওসি বরখাস্ত

চাকরি ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে রাজধানীর পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হক নয়নকে সাময়িক বরখাস্ত ও বিভাগীয় মামলা রুজুর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এ নির্দেশ দেয়া হয়।

প্রিয় পাঠক আমাদের পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মো. জাবেদ পাটোয়ারী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ওই নারী। এরপরেই বরখাস্তের নির্দেশ আসে।

জানা যায়, চাকরি দেওয়ার কথা বলে এক ছাত্রীকে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করেন নয়ন। পরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই তরুণীর সঙ্গে মাসের পর মাস শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন তিনি।

পুলিশ সদর দফতরে করা লিখিত অভিযোগে ওই নারী বলেন, চেতনা ফেরার পর ঘটনা বুঝতে পেরে তিনি প্রশ্ন করলে মাহমুদুল হক তাকে ‘ভালোবাসার কথা, বিয়ে করার আগ্রহের কথা’ বলেন।

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরেও বিভিন্ন সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তা ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ করেন বর্তমানে একটি ব্যাংকে চাকরিরত ওই নারী।

তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন, একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। কিন্তু মাহমুদুল হক তাকে গর্ভপাতে ‘বাধ্য করেন’। বিয়ের জন্য চাপ দিলে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। একপর্যায়ে অফিসে গেলে আবারও বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেন।

এ পরিস্থিতিতে ওসি মাহমুদুলের বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করেন ওই নারী। তার দাবি, মাহমুদুলের বাবা প্রথমে বিষয়টি সহানুভূতির সঙ্গে দেখলেও পরে ছেলের সঙ্গে মিলে নানাভাবে হুমকি দিতে শুরু করেন।

আর কোনো উপায় না দেখে একসময় আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগে লিখেছেন ওই নারী।

গত আগস্টের শুরুতে ওই নারী পুলিশ সদর দফতরে অভিযোগ করলে মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মোনালিসা বেগমকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। তদন্তে অভিযোগের কিছু সত্যতা পাওয়া যায়। সে অনুযায়ী পুলিশ সদর দফতরে প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।

প্রিয় পাঠক আপনার মতামত জানান

এ বিভাগের আরো খবর

Close
Close