বৃদ্ধা মাকে মারধর করে ঘর থেকে বের করে দিলো পাষণ্ড ছেলে

জায়গাজমি সব লিখে নিয়েও লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নে বৃদ্ধা মাকে ঘরে মারধর করে বাড়ির বাহিরে ফেলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে দুলাল হোসেন নামে এক পাষণ্ড ছেলের বিরুদ্ধে।এসময় ওই মায়ের ঘরের ব্যবহৃত সকল জিনিসপত্র ভাংচুর করে বাইরে ফেলে দেয়া হয়।

গত তিন দিন থেকে ঘরের জিনিসপত্র বাইরে ফেলে দিলে অসহায় অবস্থায় ওই বৃদ্ধা একদিন একরাত সেখানে পড়ে ছিল। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে সবার দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ওই বৃদ্ধা।বুধবার সরেজমি গিয়ে দেখা যায়, বৃদ্ধা মায়ের ব্যবহৃত সকল জিনিসপত্র বাইরে ফেলে রেখেছে বড় ছেলে দুলাল হোসেন। এসময় ওই বৃন্ধার ছবি তুলতে গেলে দুলাল হোসেন ছবি তুলতে বাঁধা দেন।

জানা গেছে, উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের বড়খাতা গ্রামের বাহানত উল্লাহর মৃত্যুর পর তার স্ত্রী জোবেদা বেওয়া দুই ছেলেকে নিয়ে একই বাড়িতে বসবাস করেন। গত রোববার সামান্য কথা কাটাকাটি করে রাতের আধাঁরে মায়ের সব জিনিসপত্র ও মাকে মারধর করে বের করে দেন বড় ছেলে দুলাল হোসেন।এর পর ছোট ছেলে জোবেদ আলীকে সাথে নিয়ে স্থানীয় বড়খাতা ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে বিচান দেন।

বৃদ্ধা জোবেদা বেওয়া (৬৫) বলেন, জায়গা-জমি সব লিখে নিয়ে আমাকে মারধর করে ঘরে জিনিস পত্র ঘর থেকে বাহিরে ফেলে দিয়েছে ছেলে। আমার স্বামীর রেখে যাওয়া ঘর থেকে বের করে দিল। এই দু:খ কাকে বলি। পেটের ছেলে এভাবে মারবে এবং বের করে দিবে তা মেনে নেয়া যায় না।
বৃদ্ধার বড় ছেলে ও বড়খাতা বাজারে দর্জি দুলাল হোসেন সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমার মায়ের মুখের ভাষা খুবই খারাপ তাই আমি মায়ের জিনিস পত্র বাহিরে রেখে দিয়েছি। আমার মাকে আমি মারধর করিনি।বড়খাতা ইউনিয়নের মহিলা ওয়ার্ড চেয়ারম্যান আমিজন নেছে বলেন, বিষয়টি আমরা শুনে ঘটনা স্থালে গিয়েছি। তার ছেলে কাজটি ঠিক করেননি।

এ বিষয়ে বড়খাতা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেল বলেন, আমি ঘটনা শুনে সেখানে গিয়ে দেখেছি। ছেলে হয়ে মাকে মারধর করা ঠিক হয়নি বিষয়টি দ্রুত সমাধান করার ব্যবস্থা করব।

মন্তব্যসমূহ (০)


লগইন করুন


Remember me Lost your password?

Don't have account. Register

Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন