রংপুর

কনকনে শীত, ভালো নেই দরিদ্র মানুষ

উত্তরের জেলা নীলফামারীতে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। হাড়কাঁপানো কনকনে শীতে অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাপন। এই শীতে দরিদ্র মানুষের পাশাপাশি গবাদি পশু ও পাখিরাও কাবু হয়ে পড়েছে।
জেলার সবকটি হাসপাতালে শিশু ও বয়স্ক রোগীদের ভিড় বেড়েছে। তাদের মধ্যে অনেকেই শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ নানান ধরনের শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন।
নীলফামারী পৌর এলাকার চার নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুস সাত্তার বলেন, ‘গতবারের শীতেও মুই একটা কম্বল পাও নাই। কম্বলের জন্য কাউন্সিলরকে কয়েক দিন কইছি। দিতেও চাইছিল। কিন্তু পরে আর দেয় নাই। গতবারের ট্যায়া এবার শীতের জোরটা বেশি। এবারও কম্বল বোধহয় পাইম না।’
সদর উপজেলার ইটাখোলা ডাকাইয়া পাড়ার কুলসুম বেগম আক্ষেপ করে বলেন, ‘শীত আইসে শীত যায়-হামার খবর কেউ নেয় না। একটা কম্বলের জন্য কতজনের কাছোত বলেছি কিন্তু দিবার চ্যায়া কাহোয় দেয় নাই। ছাওয়াল নিয়া খুব কষ্টে রাত কাটাইছি।’
নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আসাদ আলম জানান, শীতের কারণে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও একলামসিয়া রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। বিশেষ করে হাসপাতালের আউটডোরে রোগীর অনেক চাপ। অসুস্থ রোগীদের সাধ্যমতো চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।
ডিমলা আবহাওয়া দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিছুর রহমান বলেন, বছরের প্রথম দিন থেকে আজ পাঁচ জানুয়ারি পর্যন্ত জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল আট দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫ দশমিক এক ডিগ্রি সেলসিয়াস।

Close