৮টি কঠিন রোগ থেকে মুক্তি দিবে ইসবগুলের ভুষি, যেভাবে খাবেন।

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

– ইসুবগুলের ভুসির রয়েছে বেশ স্বাস্থ্যসম্মত উপাদান যা শরীরের জন্য উপকারী। তাই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সারা বছর খেতে পারেন ইসুবগুলের ভুসি। এছাড়া পেটের যে কোনো সমস্যায় খেতে পারেন ইসুবগুলের ভুসি।
আসুন জেনে নেয়া যাক ইসুবগুলের ভুসির নানান স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে –
◘ পেটের প্রায় সব ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ইসুবগুল হতে পারে এক উত্তম ঔষুধ। পেট ঠাণ্ডা রাখতে ইসুবগুল ভুসির ভূমিকা অনন্য।
◘ পেট ব্যথা দূর করতে ইসুবগুলের ভুসি খেতে পারেন। এর মিউসিলেজিনাস ভূমিকার কারণে আলসারজনিত পেট ব্যথা কম মনে হয়।
◘ ইসবগুলে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যামিনো এসিড রয়েছে। এতে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।এক গ্লাস পানিতে চিনি বা গুড় মিশিয়ে খালি পেটে এ ভুসি খান। প্রতিদিন দুই থেকে তিন চা চামচ ইসবগুল ভুসি এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে দুই থেকে চারবার খেতে পারেন। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় সমাধান পাবেন।
◘ আঁশসমৃদ্ধ খাবার ইসুবগুল। নিয়মিত ইসুবগুলের ভুসি খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। আমাশয় কিংবা অর্শ রোগ থেকে দূরে থাকতে পারবেন। দ্রুত ফল পেতে দইয়ের সঙ্গে ইসুবগুল মিশিয়ে খেতে পারেন।
◘ হজমের সমস্যায় ভুগছেন? এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ইসুবগুলের ভুসি খেতে পারেন।
◘ কোলেস্টেরল ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ওজন কমাতে চাইলে ইসুবগুলের ভুসি খেয়ে যান। পাশাপাশি টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য এটা এক দারুণ পথ্য।
◘ ডায়রিয়া উপশমে বেশ উপকারে আসে ইসুবগুল ভুসি। এ জন্য ৭-২০ গ্রাম ভুসি দিনে দুবার খাওয়া যেতে পারে।
◘ পাইলস রোগীদের জন্য সুখবর। এ রোগে আক্রান্ত হলে প্রতিদিন তিন থেকে চারবার ইসুবগুলের ভুসির শরবত খেয়ে যান।
◘ নির্দিষ্ট মাত্রায় ইসবগুল খেলে তেমন কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করা ভালো।

ফেসবুক মন্তব্য
Share.