স্বামীকে ডিভোর্স, অতঃপর সেরা নারীর তালিকায় লৌহমানবী মুনিবা

দক্ষিণ এশিয়ার দেশ পাকিস্তানের এক রক্ষণশীল পরিবারের মেয়ে মুনিবা মাজারির বিয়ে হয় মাত্র ১৮ বছর বয়সে। অসুখী দাম্পত্য জীবনের মাত্র দু’ বছরের মাথায় এক সড়ক দুর্ঘটনা বদলে দেয় তার জীবন।

মেরুদণ্ডে চোট লাগায় চলাফেরার শক্তি হারিয়ে ফেলেছিলেন মুনিবা। ডাক্তার জানান, মুনিবার পক্ষে আর কখনো মা হওয়াও সম্ভব নয়। চূড়ান্ত হতাশায় তলিয়ে যাবার শেষ মুহূর্তে নিজেকে টেনে তোলেন তিনি।

আকতে শুরু করেন। গাইতে শুরু করেন। নিজের সন্তানহীনতার বেদনাকে মেনে নিয়ে দত্তক নেন এক সন্তান। কেবল ভালো থাকার জন্যই বাঁচবেন এ প্রতিজ্ঞা করে ডিভোর্স দেন স্বামীকে। বাঁচতে শুরু করেন প্রতি মুহূর্তের জন্য।

অবশেষে কঠোর পরিশ্রম আর নিজের সৃষ্টিশীলতা, জীবন দেখার অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি তাকে পরিচিত করেছে পাকিস্তানের লৌহমানবী হিসেবে।

তিনি এখন পাকিস্তানের ইউএন ওম্যানের শুভেচ্ছাদূত। ২০১৫ সালে বিবিসির সেরা ১০০ নারীর তালিকায় আসে তার নাম। ২০১৬ সালে ফোর্বস ম্যাগাজিনেও নাম আসে তার। তার দেয়া বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাজার হাজার বার শেয়ার হয়েছে। জীবনের হার না মানা দিককে তুলে ধরে সারা পৃথিবীর মানুষের অনুপ্রেরণা উৎস হয়ে উঠেছেন তিনি।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» ‘ঝিনুকদহ ভাষা পরিষদের’ ঘোষিত তিন দিনের কর্মসূচী সফল ভাবে পালিত

» শুভ জন্মদিন- সাদিদুল ইসলাম (সাদিদ)

» কে এই সুন্দরী পুলিশ অফিসার

» চাকরি শুধু নগ্ন হয়ে বসে থাকা, বেতন জানলে চমকে যাবেন

» জামিনে এনে আসামিকে বিয়ে, আইনজীবীকেই হত্যা!

» চসিকের গৃহকর আপিল শুনানি ও অ্যাসেসমেন্ট স্থগিত

» ঝিনাইদহে ‌ঝিনুকদহ ভাষা পরিষদ-র অালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

» পৃথিবীর বাইরে প্রাণের সন্ধান !

» গ্রাম থেকে আসা সেই মানশি এখন কোটি কোটি তরুণীর আদর্শ!

» সিএনজি অটোরিকশাও মিলবে অ্যাপে, ঘোষণা শিগগিরই

» মাগুরায় চলছে অবৈধ সিমের বাজার

» আয়ুর্বেদিক উপাদান হিসেবে নিম পাতার ব্যবহার

» চাঁদে ৫০ কিলোমিটার সুড়ঙ্গের হদিস মিলেছে

» আইফোন এক্সের ভেতরে যা রয়েছে ভিডিও সহ দেখুন

» নেকলেস পরার সঠিক কায়দা-কানুন

Design & Devaloped BY MyhostIT

,

স্বামীকে ডিভোর্স, অতঃপর সেরা নারীর তালিকায় লৌহমানবী মুনিবা

দক্ষিণ এশিয়ার দেশ পাকিস্তানের এক রক্ষণশীল পরিবারের মেয়ে মুনিবা মাজারির বিয়ে হয় মাত্র ১৮ বছর বয়সে। অসুখী দাম্পত্য জীবনের মাত্র দু’ বছরের মাথায় এক সড়ক দুর্ঘটনা বদলে দেয় তার জীবন।

মেরুদণ্ডে চোট লাগায় চলাফেরার শক্তি হারিয়ে ফেলেছিলেন মুনিবা। ডাক্তার জানান, মুনিবার পক্ষে আর কখনো মা হওয়াও সম্ভব নয়। চূড়ান্ত হতাশায় তলিয়ে যাবার শেষ মুহূর্তে নিজেকে টেনে তোলেন তিনি।

আকতে শুরু করেন। গাইতে শুরু করেন। নিজের সন্তানহীনতার বেদনাকে মেনে নিয়ে দত্তক নেন এক সন্তান। কেবল ভালো থাকার জন্যই বাঁচবেন এ প্রতিজ্ঞা করে ডিভোর্স দেন স্বামীকে। বাঁচতে শুরু করেন প্রতি মুহূর্তের জন্য।

অবশেষে কঠোর পরিশ্রম আর নিজের সৃষ্টিশীলতা, জীবন দেখার অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি তাকে পরিচিত করেছে পাকিস্তানের লৌহমানবী হিসেবে।

তিনি এখন পাকিস্তানের ইউএন ওম্যানের শুভেচ্ছাদূত। ২০১৫ সালে বিবিসির সেরা ১০০ নারীর তালিকায় আসে তার নাম। ২০১৬ সালে ফোর্বস ম্যাগাজিনেও নাম আসে তার। তার দেয়া বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাজার হাজার বার শেয়ার হয়েছে। জীবনের হার না মানা দিককে তুলে ধরে সারা পৃথিবীর মানুষের অনুপ্রেরণা উৎস হয়ে উঠেছেন তিনি।

Facebook Comments

সর্বশেষ আপডেট



এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



   

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতঃ ২০১৭ । বিডি টাইপ পত্রিকা আগামী প্রজন্মের মিডিয়া

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি