সৌদি আরব গেলেন প্রধানমন্ত্রী

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদের আমন্ত্রণে চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি আরব গেলেন।
প্রধানমন্ত্রী ও তার সফর সঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট আজ মঙ্গলবার বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে সৌদি রাজধানী রিয়াদের উদ্দেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।
ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা।
শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এস এম শাহজাহান কামাল, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান।
মন্ত্রীপরিষদ সচিব, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, কূটনৈতিক কোরের ডীন এবং পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাউন্সিল অব সৌদি চেম্বার (সিএসসি) এবং রিয়াদ চেম্বার অব কমার্সের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এদিন বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি রাজপ্রাসাদে সে দেশের বাদশাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং মধ্যাহ্নভোজনে অংশ নেবেন।
শেখ হাসিনা সৌদি আরবের যুবরাজ ও উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজের সঙ্গে বৈঠক করবেন। পরে প্রধানমন্ত্রী সৌদি রাজধানী রিয়াদের কূটনৈতিক এলাকায় বাংলাদেশ চ্যান্সেরি ভবন উদ্বোধন করবেন।
১৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী মহানবীর (সা.) পবিত্র রওজা মোবারক জিয়ারত করবেন। ওই দিন তিনি মদিনা থেকে মক্কা যাবেন এবং রাতে পবিত্র ওমরাহ পালন করবেন। একই দিনে প্রধানমন্ত্রী জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের জন্য সদ্য কেনা জমিতে নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
২০১৬ সালের পর রিয়াদে এটি হবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি বাদশাহর দ্বিতীয় বৈঠক। এছাড়া ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর এটি প্রধানমন্ত্রীর চতুর্থ সৌদি সফর। এ বছরের এপ্রিলে সৌদি নেতৃত্বাধীন ২৩-দেশের যৌথ সামরিক মহড়া ‘গালফ শিল্ড-১’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তিনি সর্বশেষ সৌদি আরব গিয়েছিলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নে বিভিন্ন খাতে সৌদি আরবের আরও বেশি অংশীদারত্বের উপায় ও কৌশল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী আলোচনা করবেন। শ্রম খাত, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহায়তা, মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তর ঐক্য ও সমৃদ্ধি, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয় এ সফরের আলোচনায় প্রাধান্য পাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

ফেসবুক মন্তব্য
Share.