সৌদিতে বিদেশি শ্রমিকদের জন্য বন্ধ হচ্ছে মুদি দোকানের দরজা

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

সৌদি আরবের মুদি দোকান, কনফেকশনারি দোকান ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিক্রি করে এমন দোকানে প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য দরজা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তারা আর এসব দোকানে কাজ করতে পারবেন না।

সৌদি আরবের শ্রম ও সমাজ উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে একটি খসড়া সিদ্ধান্ত প্রস্তুত করেছে। এ প্রস্তাব অনুযায়ী, সৌদি আরবের নাগরিক নন এমন কোনো ব্যক্তি এসব দোকানে কাজ বা চাকরি করতে পারবেন না।

এ খবর দিয়েছে অনলাইন সৌদি গেজেট। এতে স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা আল মদিনাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, এসব দোকান শতভাগ সৌদি নাগরিক দিয়ে চালাতে হবে।

একজনও বিদেশী সেখানে কাজ করতে পারবেন না। মন্ত্রণালয়ের সূত্র উল্লেখ করে এ খবর দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সরকারের এমন সিদ্ধান্ত ও তা বাস্তবায়নের প্রথম বছরে সৌদি আরবের কমপক্ষে ২০ হাজার নাগরিকের জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে। ভ্রাম্যমাণ ভ্যানে করে খাদ্য ও কোমল পানীয় বিক্রির কাজ সৌদি নাগরিকদের জন্য সীমিত করার কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে।

সেখানকার শূরা কাউন্সিল সম্প্রতি শ্রম ও সমাজ উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী, মিউনিসিপ্যাল ও গ্রামীণ সম্পর্ক বিষয়ক মন্ত্রীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ছোট ছোট সরবাহের দোকানগুলো বন্ধ করে দিতে। পাশাপাশি শুধু বড় বড় স্টোরগুলোকে খুচরা বিক্রি করার লাইসেন্স দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এর ফলে সৌদি আরবের অনেক নারী ও পুরুষের চাকরির ব্যবস্থা হবে। কাউন্সিল আরো বিশ্বাস করে এ পদক্ষেপ নেয়া হলে সৌদি আরবের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে এবং নির্ধারিত বেতনের ভিত্তিতে যারা সৌদি নাগরিক পরিচয় দিয়ে ব্যবসা করছে সেইসব মানুষের অসাধু উদ্যোগ কমে যাবে।

সূত্র বলেছে, শুধু টেলিকম খাতে সৌদিকরণ করার ফলে ৮ হাজারেরও বেশি নারী ও পুরুষের কর্মসংস্থান হবে। এসব খাতে কাজ হলো মোবাইল ফোন মেরামত করা, রক্ষণাবেক্ষণ করা ও বিক্রি করা। কার রেন্টাল অফিসে কাজকে সীমিত করে ৫ হাজারের বেশি সৌদি নাগরিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টির আশা করছে মন্ত্রণালয়।

স্বাস্থ্যখাতে মন্ত্রণালয় সম্প্রতি সৌদি আরবের ৭৫০০ ডাক্তারন নার্স ও টেকনিশিয়ানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবার কেন্দ্রগুলোতে তাদের কাজের সুযোগ নিয়ে এ যোগাযোগ। সূত্র মতে, ২০২০ সালের শেষ নাগাদ সৌদি আরবের স্বাস্থ্যখাতে সেদেশের ৯৩ হাজারের বেশি নারী ও পুরুষকে নিয়োগ দেয়া হবে। ওই রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, গত বছর গৃহকর্মী নিয়োগের জন্য মোট ১১ লাখ ৭৩ হাজার ৫০০ ওয়ার্ক ভিসা দেয়া হয়েছে।

ফেসবুক মন্তব্য
Share.