শূন্য রানে জীবন পেয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড

এবি ডি ভিলিয়ার্সের (২০) উইকেট হারিয়ে তখন ব্যাকফুটে দক্ষিণ আফ্রিকা। স্কোর ৭৮/৩। রুবেল হোসেনের করা পরের ওভারে (১১তম) প্রোটিয়াদের আরও চাপে ফেলার মোক্ষম সুযোগ ছিল। শূন্য রানে জীবন পেয়ে যান ডেভিড মিলার। বাকিটা এখন ইতিহাস!

রুবেলের শর্ট বলটি লেগ সাইডে পুল করতে গিয়ে মিস করেন মিলার। গ্লাভস ছুঁয়ে যায়। প্রথমে ক্যাচটি এক হাতে গ্লাভসবন্দি করেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু ডাইভ দিয়ে শেষ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেননি। স্বীকৃত ও অভিজ্ঞ উইকেটরক্ষকের জন্য একেবারে কঠিন ক্যাচ বলার সুযোগ নেই।

পচেফস্ট্রুমে এক ক্যাচ মিসেরই মাশুল গুণতে হয় বাংলাদেশকে। মিলার তাণ্ডবে স্কোরবোর্ডে চার উইকেটে ২২৪ রান তোলে প্রোটিয়ারা। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়ে টি-২০ ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন ২৮ বছর বয়সী মিলার। তার আগের সর্বোচ্চ ৫৩।

ছবি: সংগৃহীতশতক পূরণ করতে মাত্র ৩৫টি বলই যথেষ্ট ছিল। ছক্কা হাঁকান ৯টি। এটি সংক্ষিপ্ত সংস্করণের আন্তজার্তিক ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরি। আগের রেকর্ডটি ছিল মিলারের স্বদেশী রিচার্ড লেভির (৪৫ বল)।

১৮ ওভার শেষে মিলারের রান ছিল ৫৭। এখান থেকে সেঞ্চুরি পাওয়াটা দৃশ্যত অসম্ভবই ছিল! উদীয়মান পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের করা ১৯তম ওভারে দৃশ্যপট পাল্টে যায়।

প্রথম পাঁচ বলেই বল সীমানার বাইরে পাঠান ‘কিলার মিলার’। শেষ বলে ছক্কা মিস হলেও সিঙ্গেল নিয়ে পেয়ে যান স্ট্রাইক। সেঞ্চুরি থেকে তখন ১২ রান দূরে তিনি। রুবেল হোসেনের প্রথম চার বলেই তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছে যান। অপরাজিত থাকেন ৩৬ বলে ১০১ রান করে।

Loading...