মানুষ যেন কৌশিককে আজীবন মনে রাখে

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

চৌত্রিশ বছর পেরিয়ে আজ পঁয়ত্রিশে পা দিয়েছেন বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। এই ৩৪ বছরের জীবনে কত পাওয়া না পাওয়ার গল্প আছে সেটা তার সাথে আড্ডা না দিলে অনেক কিছুই অজানা রয়ে যাবে।
নড়াইলের সেই চিত্রাপাড়ের কৌশিক আজ গোটা বিশ্বের কাছে পরিচিত মাশরাফি বিন মুর্তজা নামে। কৌশিক নামে তাকে কয়জনই বা ডাকে কিন্তু মা হামিদা মুর্তজার কাছে তিনি কৌশিকই। শুধু মা একাই নন, বাবা-আত্মীয়-স্বজন কিংবা বন্ধু-বান্ধব, সবার কাছেই তিনি কৌশিক নামেই পরিচিত।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিডি টাইপ অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেন মাশরাফি বিন মুর্তজার মা হামিদা মুর্তজা। ফোন রিসিভ করার আগেই তিনি তৈরি হয়ে থাকেন আগে সালাম দেয়ার জন্য। যথারীতি আগে সালাম দিয়ে তারপর কথা শুরু করেন। ছেলের ৩৫তম জন্মদিন তাতে কী, মায়ের কাছে কৌশিক এখনও খোকা।
ছেলের জন্মদিনে মায়ের প্রত্যাশা যতদিন বেঁচে থাকে তার খোকা (কৌশিক) যেন মাথা উঁচু করে বাঁচে।
তিনি বলেন- ‘আমি চাই ওকে যেন সারাজীবন মানুষ মনে রাখে। ও এখন যেমন সবার প্রিয় মাশরাফি হয়ে আছে আজীবনও যেন এভাবেই বেঁচে থাকে। আমি আমার জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এমনই দেখতে চাই ওকে।’
তিনি আরও বলেন- ‘ও যতদিনই বেঁচে থাকে ততদিন যেন সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে পারে। আমার বিশ্বাস কৌশিক দেশকে অনেক কিছু দেবে আগামীতে। দেশের মানুষ যেন আমার কৌশিকের জন্য দোয়া করেন।’
আজ শুধু মাশরাফি বিন মুর্তজার একার জন্মদিন নয়। তাঁর ছেলে সাহেল মুর্তজারও জন্মদিন। মা হামিদা মুর্তজার কোল আলোকিত করে কৌশিক দুনিয়াতে এসেছিলেন ১৯৮৩ সালের ৫ অক্টোবর। আর ছেলে সাহেলও এসেছে একইদিনে ২০১৪ সালে।
২০০১ সালে নভেম্বরের ৮ তারিখ টেস্টে অভিষেক ঘটে মাশরাফি বিন মুর্তজার। এরপর আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। এই ১৭ বছরের ক্যারিয়ারে পোহাতে হয়েছে অনেকবার চোটের আঘাত। দুই পা সফে দিতে হয়েছে ডাক্তারের ছুরির নিচে ৭ বার। তা নিয়েই নিজেকে টেনে এনেছেন এতোদূর।
হার না মানা মাশরাফি পরাজিত হননি চোটের কাছে। ফিরে এসেছেন বারবার আগের থেকেও শক্ত হয়ে। শুধু নিজেকেই টেনে নেননি, টেনেছেন গোটা দলকে। বাংলাদেশকে বিশ্ব ক্রিকেটের কাছে তুলে ধরেছেন শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে, নতুন পরিচয়ে।
বিডি টাইপ অনলাইনের পক্ষ থেকে ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাকে ৩৫তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

ফেসবুক মন্তব্য
Share.