মাদক আইনে কাউকে হয়রানি করলে বাহিনীর সদস্যের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কাউকে হয়রানির কোনো সুযোগ নেই। মাদকদ্রব্য নিয়ে যদি কোন ধরনের হয়রানি করা হয় তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।
সোমবার বিকেলে ঢাকা ক্লাবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের এসপিও সেমিনারের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা মাদক পরিবহনকারী, মাদক ব্যবহারকারী, অর্থ লগ্নিকারীদের ধরছি। এদের জন্য কঠোর সাজা আমাদের আইনে রয়েছে। আগেও সাজা ছিল। তবে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বা র‌্যাবের কর্মকর্তা কিংবা অন্য যে কেউ হোক, কাউকে আমরা ছাড়ছি না। নতুন মাদক আইনেই এটা বলা আছে। যারা এ ধরনের হয়রানি করবে তাদের বিরুদ্ধেও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, আমরা একটা ভয়াবহ মাদকের আগ্রাসনে চলে এসেছিলাম। তাই প্রধানমন্ত্রী মাদক বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। সবার সহযোগিতায় খুব শিগগির আমরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হব। আমরা এখন স্বপ্ন দেখছি, আমাদের যুবকদেরকে রক্ষা করতে পারব। মাদকদ্রব্য আইনটিকে আমরা নতুনভাবে ঢেলে সাজিয়েছি। কীভাবে এটা প্রয়োগ হবে বিস্তারিত আইনে বলা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে প্রায় ২৫০ জন মানুষ ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মারা গেছে। তারপরও মাদক আগের মতোই আসছে। সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমাদের যে অভিযান এটা অব্যাহত থাকবে। আমরা ব্যর্থ হয়েছি এটাও না, আবার শতভাগ সফল হয়েছি এটাও না। তবে আশা করছি ভবিষ্যতে মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে পারব।
তিনি বলেন, পৃথিবীর সব দেশেই যারা মাদক উৎপাদন বা বিপণন করে তারা সবসময় অস্ত্র ব্যবহার করে। কারণ তারা অধিক মুনাফা করে। এটা কালো টাকা, নিজেদের বাঁচাতেই তারা অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে। আমাদের দেশেও তাই হচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ীরা অবৈধ অস্ত্র নিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বন্ধুকযুদ্ধে লিপ্ত হচ্ছে। তার পরিণাম কী হচ্ছে সেটা আপনারা দেখতেই পারছেন।

ফেসবুক মন্তব্য
Share.