মাঠেই রক্তাক্ত, বড়সড় বিপদ নয়তো?

ফুটবল বডি কন্ট্যাক্ট গেম। যে কোনো মুহূর্তে সংঘর্ষে চোট-আঘাত লেগে যেতে পারে। ক্রিকেটো তা নয়। কিন্তু ক্রিকেট-মাঠেও ভয়ানক ঘটনা ঘটতেই পারে। ক্রিকেট মাঠে মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। এমন নজিরও রয়েছে।

রবিবার (২৯ অক্টোবর) ভারত-নিউজিল্যান্ড তৃতীয় ওয়ান-ডে ম্যাচে বড় চোট পেতে পারতেন টিম ইন্ডিয়ার অলরাউন্ডার হার্দিক পাণ্ডিয়া। নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যান কেন উইলিয়ামসনও চোটের কবলে পড়তেই পারতেন। ভাগ্য দু’ জনেরই ভাল। তাই শেষমেশ কাউকেই চোটের কবলে পড়তে হয়নি। পাণ্ডিয়া হাত দিয়ে রক্ত ঝরেছে শুধু।

কিউয়িদের ইনিংসের ২৭.৩ ওভারের ঘটনা। বল করছিলেন ভারতের স্পিনার অক্ষর পটেল। ব্যাটসম্যান উইলিয়ামসন। কিউয়ি ব্যাটসম্যান মিড উইকেটে বল ঠেলে রানের জন্য ছুটতে শুরু করে দেন। মিড উইকেটে বিরাট কোহলি দাঁড় করিয়েছিলেন পাণ্ডিয়াকে। তিনি বল ধরেই নন স্ট্রাইক এন্ডের উইকেটে ছুড়ে মারেন।

উইলিয়ামসন কোনো রকমে পৌঁছে যান ক্রিজে। পাণ্ডিয়ার শরীরের ভারসাম্য রাখতে না পেরে পড়ে যান মাটিতে। ধাবমান উইলিয়ামসন নিজের গতিতে রাশ টানতে পারেননি। তাঁর গতিপথেই পড়ে গিয়েছিলেন পাণ্ডিয়া। ভারতীয় অলরাউন্ডারের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় উইলিয়ামসনের। শেষ মুহূর্তে উইলিয়ামসন নিজেকে সামলে নেন। না হলে বড় বিপদ ঘটতেই পারত।

কিউই ক্রিকেটারের চোট সেরকম লাগেনি। কিন্তু তাঁর সঙ্গে সংঘর্ষে পাণ্ডিয়া রক্তাক্ত হন। উইলিয়ামসনের বুটের স্পাইকে পাণ্ডের হাত কেটে যায়। সেখান থেকে ঝরতে থাকে রক্ত। বিপক্ষ শিবিরের হলেও সৌজন্য ভুলে যাননি উইলিয়ামসন। ভারতের অলরাউন্ডারের কাছে গিয়ে তাঁর সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

Loading...