মাগুরায় বাহুবলী টু কাত্যায়নী পূজায় এবারের বিশেষ আকর্ষণ

শেষ মুহুর্তে কাত্যায়নী পূজার মন্ডপে চলছে প্রতিমা শিল্পীদের হাতের কাজ। জেলার সব মন্ডপ গুলোই ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রতিমা শিল্পীরা। দীর্ঘ এক মাস ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন বলে জানায় প্রতিমা শিল্পী গুরু। এবারের পূজায় বিশেষ আকর্ষণ বাহুবলী টু। ছানাবাবুর বটতলায় মূর্তি তৈরি হচ্ছে বাহুবলী টু এর আদলে। যা নির্মাণ করতে খরচ হচ্ছে প্রায় ৫ লাখ টাকা। এছাড়া পূজার প্রধান গেট তৈরি করা হচ্ছে ভারতের উত্তর প্রদেশের জগন্নাথদেব মন্দিরের আদলে। এছাড়া পূজা মণ্ডপ তৈরি হবে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের মঞ্চের আলোকে।

মাগুরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ কুমার জানান, একমাত্র মাগুরা ছাড়া আর কোথাও এত আলোক সজ্জা ও জাকজমক এর সঙ্গে এই পূজা অনুষ্ঠিত হয় না। ৫০’র দশকে মাগুরার ব্যবসায়ী মতিন মাঝি প্রথম এই পূজার সূচনা করেন। পরবর্তীতে সারা শহর এবং জেলায় এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এক এক মন্ডপ সাঁঝছে এক এক সাঝে। গেট থেকে শুরু করে আলোকসজ্জা সব খানেই থাকবে ভিন্নতা। এর ধারাবাহিকতায় ছানার বট তলায় পূজার প্রধান গেট তৈরি করা হচ্ছে ভারতের উত্তর প্রদেশের জগন্নাথদেব মন্দিরের আদলে। এছাড়া পূজা মণ্ডপ তৈরি হবে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের মঞ্চের আলোকে।

বাংলাদেশ সহ বিদেশের বিভিন স্থান থেকে পূজা দেখতে আসা দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনের জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে। এই পূজাকে নিয়ে আইন শৃংখলা সমন্বয়ক সভায় একথা জানিয়েছে মাগুরা জেলা পুলিশ সুপার মুনিবুর রহমান।

মাগুরা পুজা কমিটি প্রধান জানান, এ বছর মাগুরা পৌর ঐরাকায় ১৫ টি সহ জেলায় মোট ৯১ টি পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী কাল ষাষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে এই পূজা।

Loading...