ভেগাসের পর এবার লন্ডনে ধর্ষণের দায়ে ফাঁসছেন রোনালদো

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

৯ বছর আগে ধর্ষণের অভিযোগে এমনিতেই বিপাকে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এবার পর্তুগালের মহাতারকার বিপক্ষে ৬ বছর আগের আরেকটি ধর্ষণ মামলা সামনে এসেছে। ২০০৫ সালের লন্ডনের একটি হোটেলে গণধর্ষণের দায়ে আটক হয়েছিলেন সিআর সেভেন। ওই মামলাটি নতুন করে খুলতে চাইছে ইংল্যান্ডের কয়েকটি নারী অধিকার সংস্থা ও কয়েকজন সংসদ সদস্য (এমপি)।
নারী ও সমতা সংসদীয় কমিটির সদস্য জেস ফিলিপস ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিসকে রোনালদোর বিরুদ্ধে দায়ের করা লন্ডনের ওই মামলার তদন্ত পুনরায় চালু করার আহ্বান জানিয়েছেন।
লেবার পার্টির এমপি এই নেতা জানান, ন্যায়বিচারে নিশ্চিতে পুলিশ ও কৌঁসুলিরা যাতে নিজেদের সর্বোচ্চটা দিতে পারে সেজন্যই বিষয়টি আবারও সামনে আসছে।
২০০৫ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে খেলতেন রোনালদো। লন্ডনের স্যান্ডারসন হোটেলের একটি হোটেলে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছিলেন দুই নারী। সেসময় স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের হাতে আটকও হয়েছিলেন পর্তুগালের এই ফুটবল বিস্ময়। যদিও তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ার কারণে বন্ধ হয়ে যায় মামলাটি।
এদিকে জুভেন্টাস তারকা মার্কিন নারীর ধর্ষণের অভিযোগকে ভুয়া খবর বলে আগেই উড়িয়ে দিলেও ক্রীড়াসরঞ্জাম প্রস্তুতকারী সংস্থা নাইকি কিন্তু ব্যাপারটাকে বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে। যেহেতু রোনালদোর বিরুদ্ধে অভিযোগটা গুরুতর ও নারীঘটিত, তাই তারা বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
সূত্রের খবর, নাইকি রোনালদোর সঙ্গে ১০০ কোটি ডলারের চুক্তি বাতিল করতে পারে। আর তাই ৩৪ বছর বয়সী এই তারকার বিরুদ্ধে ওঠা ধর্ষণ-অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে কথা বলছে নাইকি। যদিও তার ক্লাব জুভেন্টাস দলের পোস্টার বয়ের পাশেই দাঁড়িয়েছে।
২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লস ভেগাসে ক্যাথরিন মায়োরগা নামের এক নারীকে একটি হোটেলের ক্যাসিনোতে ধর্ষণ করেছিলেন রোনালদো। এমনটাই অভিযোগ উঠেছে।
সেসময় প্রমাণ না মেলায় পাঁচবারের ব্যালন ডি’ অর জয়ীর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি মার্কিন পুলিশ। ৯ বছর পর সেই ধর্ষণকাণ্ডে ‘বড় প্রমাণ’ পাওয়ায় কিংবদন্তি এই ফুটবলারের বিপক্ষে আবারও আইনি লড়াইয়ে নামেন এই মার্কিন নারী।

ফেসবুক মন্তব্য
Share.