ফেসবুকই হোক ফেসবুক আসক্তির প্রতিকার

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

লক্ষ্যের মধ্যে উপলক্ষ রাখতে নেই, কথাটি যেমন সত্য, তেমনই লক্ষ্যকে আরাধ্যে পরিণত করতে পারাও জরুরি। অথচ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেখা যাচ্ছে, ফেসবুক আমাদের জীবনে সেই যে আরাধ্য হয়ে উঠলো, যার ব্যবহারকে কিছুতেই রুটিনের মধ্যে আনা যাচ্ছে না। ফেসবুক আমাদের যোগাযোগকে দ্রুততর ও সহজ করণের মাধ্যমে সময় বাঁচানোর অবতার হয়ে মুঠোফোনে আসীন হলো; আর সেই অবতারের হাতেই আমাদের মূল্যবান সময়ের ধারাবাহিক বিনাশ ঘটে চলেছে।
বেশ মনোযোগ দিয়ে পাঠ্যবই পড়ছিলাম, একটা ইংরেজি শব্দের অর্থ খুঁজতে মুঠোফোন হাতে নিয়ে কয়েকটা নোটিফিকেশনে চোখ পড়লো, সেগুলো দেখতে যেইনা ফেসবুকে ঢুকেছি, পরক্ষণে দেখি দেড় ঘণ্টা শেষ। তড়িঘড়ি করে বেরিয়ে পড়ি ফেসবুক থেকে। ফোন রেখে দেখি কোন পর্যন্ত পড়েছিলাম তাও মনে নেই। অতঃপর টের পেলাম যার জন্য মুঠোফোন হাতে নিয়েছি সেই ইংরেজি শব্দটির অর্থ তখনও আমার জানা হয়নি।
প্রযুক্তির এই স্বর্ণযুগে বইয়ের বাইরেও অনলাইনের নানান শিক্ষণীয় শাখায় পরিভ্রমণের সুযোগ আছে। কোনও জরুরি একটা তথ্যের জন্য অনলাইনে ঢুকে ক্রমাগত চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটনের পর ইউটিউবও বাদ দেইনি। সেখানে তথ্য নেওয়ার পাশাপাশি চলছে বাইক রিভিউ, নতুন মুভির ট্রেলার, পছন্দের মিউজিক ভিডিও দেখা। একটা স্ট্যাটাসও দিয়ে ফেললাম, মোবাইল ফোনের কোনায় চোখ মেলে দেখি আরও প্রায় এক ঘণ্টা শেষ।

ফেসবুক মন্তব্য
Share.