পেটের অতিরিক্ত মেদ কমাবেন যেভাবে

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

পেটের অতিরিক্ত মেদ বা চর্বি আমাদের শরীরের ওপর দীর্ঘকালীন নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। এমন মেদের কারণে হার্টের অসুখ, টাইপ টু ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ নানা রোগের সম্ভাবনা দেখা দেয়।
সুস্থ থাকার জন্য অনেকে মেদ কমানোর পরিকল্পনা করেন। কিন্তু সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে সেটা আর বাস্তবায়িত হয় না। নিচের কয়েকটি বিষয় মেনে চললে আপনি খুব সহজেই পেটের অতিরিক্ত মেদ কমাতে পারবেন।
প্রোটিনযুক্ত খাবার বাড়ানো
পেটের অতিরিক্ত চর্বি কমানোর জন্য প্রটিনযুক্ত খাবার বেশি খেতে হবে। সেই সাথে কার্বোহাইড্রেট খাওয়ার পরিমাণ কমাতে হবে। এ দুটি বিষয় মাথায় রেখে নিয়মিত খাবার খেলে মেদ কমানোর জন্য আলাদা কোনও ব্যায়ামের প্রয়োজন হবে না।
খাদ্য তালিকায় নারিকেল তেল রাখা
নারিকেল তেলে মিডিয়াম চেইন ট্রাইগ্লিসারাইডস রয়েছে (এমসিটি)। গবেষণা বলছে, প্রচুর পরিমাণে এমসিটি থাকায় স্বাস্থ্যের জন্য নারিকেল তেল খুবই ভালো। এটা সহজেই হজম হয় এবং মেদ হিসেবে না জমে শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা
পেটের চর্বি কমাতে হলে মানসিক চাপ দূর করতে হবে। অনেকে অতিরিক্ত কাজের কারণে কিংবা বিভিন্ন দুশ্চিন্তার কারণে এক ধরনের মানসিক চাপের মধ্যে পড়েন। এগুলো থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে। বেশ কয়েকটি গবেষণা বলছে, মেডিটেশন, বড় বড় নিঃশ্বাস ও আনন্দময় গোসল মানসিক চাপ দূর করতে এবং একই সাথে মেদ কমাতে সাহায্য করে।
প্রতিদিন গ্রিন টি
পেটের মেদ কমাতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে গ্রিন-টি। এজন্য প্রতিদিন এটা পান করতে হবে। সব সময় গ্রিন টি-এর সাথে পরিমাণ মতো চিনি নিতে হবে। কোনওভাবেই বেশি চিনি খাওয়া যাবে না।
রাতে নির্দিষ্ট সময় ঘুমানো
প্রতিদিন রাতে নির্দিষ্ট একটা সময় ঘুমের জন্য রাখতে হবে। গবেষণা থেকে জানা যায়, নিয়ম করে ৬ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমালে ইনসুলিন লেভেল ও হরমোন ঠিকভাবে কাজ করে। যা আপনাকে ক্যালরি খরচে শক্তি যোগাবে। ফলে কমবে পেটের অতিরিক্ত মেদ।
বেশি করে পানি খাওয়া
মেদ কমাতে পানি খুবই কার্যকর। প্রতিদিন নিয়ম করে ৮ গ্লাস পানি খেলে দ্রুতই কমবে পেটের অতিরিক্ত মেদ। এতে আপনার অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি কমবে এবং শরীর চাঙা থাকবে।

ফেসবুক মন্তব্য
Share.