পুলিশও পারছে না যেখানে-সেখানে যাত্রী তোলা বন্ধ করতে: ডিএমপি

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, সব মিলিয়ে রাজধানীর ট্র্যাফিক পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও যেখানে-সেখানে যানবাহন দাঁড় করিয়ে যাত্রী তোলার অভ্যাসটা বন্ধ করা যাচ্ছে না।
রোববার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ডিএমপি কমিশনার সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
ঢাকা মহানগরীতে ট্র্যাফিক মাস পালনের শেষ দিনে আজ রোববার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সোনারগাঁও ক্রসিংয়ে ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনা দেখতে এসে পুলিশ কমিশনার এ মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি রাজধানীতে বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের হাতে ফুল তুলে দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, আমি বিনীতভাবে বলতে চাই, আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা আইন না মানার মানসিকতা। পথচারীরা আইন মানছেন না। আমরা জোর করেও ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করাতে পারছি না, জেব্রা ক্রসিং ব্যবহার করাতে পারছি না। চলন্ত গাড়ির সামনে দিয়ে যেখানে সেখানে রাস্তা পার হচ্ছেন পথচারীরা।
তিনি আরও বলেন, বাস চালকদের নিয়ে বারবার মিটিং করা হচ্ছে, সমন্বয় মিটিং, সচেতনতা মূলক মিটিং করা হচ্ছে। তাদের বার বার বলা হচ্ছে দায়িত্বশীল হওয়ার জন্য।
ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, চলমান ট্র্যাফিক সচেতনতা মাসে অভিযান চালিয়ে মোট সাত কোটি টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। অভিযানে পর্যাপ্ত গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে, রেকারিং করা হয়েছে, মামলা দেওয়া হয়েছে।
সাংবাদিক, পেশাজীবী বা সরকারের বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আপনারা আইন মানার সংস্কৃতি চালু করেন। নিজেরা আইন মানেন ও সাধারণ মানুষকে আইন মানতে উদ্বুদ্ধ করেন।
ট্র্যাফিক পুলিশের পাশাপাশি দায়িত্ব পালনের জন্য রোভার স্কাউট, গার্ল গাইডসহ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আপনারা অনেক কষ্ট করেছেন। তারপরও মানুষ সহজে আইন মানতে চায় না। ট্র্যাফিক মাস শেষ হলেও রাস্তায় শৃঙ্খলা ফেরাতে নানা কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
এ সময় কমিশনার রোভার স্কাউট ও গার্ল গাইডস সদস্যদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন।
ট্র্যাফিক আইন মানতে উৎসাহিত করতে বাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল চালক ও যাত্রীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া।

ফেসবুক মন্তব্য
Share.