নিয়ম করে না খেয়েও ধরে রাখতে পারেন তারুণ্য

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

গত দেড় বছর ধরে কেইথ টেইলর এবং তার স্ত্রী নতুন ধরনের জীবন বেছে নিয়েছেন। তারা দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় কিছুই খান না। এতে তারা নিজেদেরকে আগের চেয় বেশি কর্মোদ্দীপ্ত ও তরুণ মনে করছেন।

এর মাধ্যমে তারা স্বাভাবিক ওজন ধরে রাখতে পারছেন। এছাড়া এই অভ্যাসের মাধ্যমে তারা অনেক বেশি কর্মোদ্দীপ্ত হয়ে উঠেছেন। মানসিক চাপ কমে যাওয়ায় রোগ-বালাই থেকেও রেহাই পাচ্ছে। খাওয়া-দাওয়ার এমন অভ্যাসের কারণে বেশিদিন বাঁচবেন বলেও আশা টেইলরের।

টেইলরের মতে, সপ্তাহে ছয়দিন বিকেল পাঁচটার আগ পর্যন্ত আমরা কিছুই খাই না। কিন্তু পাঁচটার পর থেকে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত যা ইচ্ছা হয় এবং যতটুকু পারি খাই। আমরা কী খাই বা কতটুকু খাই সেই বিষয়ে নজর দেয়ার পরিবর্তে কখন খাই তাতে বেশি নজর দিই।

এটাকে ডায়েট নয়, ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং(আইএফ) উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে নিজেকে অল্পবয়সী বলে মনে হচ্ছে আমার। এভাবে নিজের উদ্যম ও কর্মক্ষমতা ধরে রাখতে পারলে মনে করবো, নিয়ম করে না খেয়ে থেকেই এটা অর্জন করেছি।

প্রাণীদের ওপর পরিচালিত এক গবেষণা বলছে, নিয়ম করে না খেয়ে থাকলে মেদ কমে। এছাড়া মেদ সম্পর্কিত অন্যান্য রোগ, লিভার জটিলতা, ডায়াবেটিস ও ক্যানসারের ঝুঁকি কমে।

মানুষের ওপরও এই ধরনের বেশকিছু গবেষণা পরিচালিত হয়েছে। সেগুলোতেও ইতিবাচক ফল বেরিয়ে এসেছে। গত বছর ১০০ জন সুস্থ মানুষের ওপর একটি গবেষণা চালানো হয়। প্রথমে তাদেরকে দুটি দলে ভাগ করা হয়।

এরপর একটি দলকে তাদের ইচ্ছামতো খেতে দেয়া হয় এবং অন্য দলকে দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে অভুক্ত রাখা হয়। তিনমাস পর দেখা যায়, শেষ দলের মানুষই বেশি সুস্থ।

ফেসবুক মন্তব্য
Share.