তুরস্কের আদালতের রায়ে যুক্তরাষ্ট্রের যাজকের মুক্তি

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

তুরস্কের একটি আদালতের রায়ে যুক্তরাষ্ট্রের যাজক অ্যান্ড্রু ব্রনসনের মুক্তি মিলেছে বলে জানিয়েছে তুর্কি সরকার পরিচালিত আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা ‘আনাদোলু এজেন্সি’।
শুক্রবার দেশটির ‘দি ইজমির হেভি পেনাল কোর্ট নং ২’ এর দেয়া রায়ে তাকে তিন বছর ৪৫ দিনের কারাদণ্ড এবং পুলিশের হেফাজত থেকে মুক্তি দেয়া হয়।
ব্রনসনের গৃহবন্দিত্ব এবং ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়া উচিত বলে উল্লেখ করে এই আদালতের জারি করা রুলে যুক্তরাষ্ট্রের যাজককে ইচ্ছেমতো চলাফেরা করার অনুমতি দেয়া হয়।
কাতারের গণমাধ্যম আল জাজিরা’র প্রতিবেদনে বলা হয়, তুরস্কে বন্দি থাকা দুই বছরকে কারাদণ্ডে অন্তর্ভুক্ত করে এবং তার ভালো ব্যবহার বিবেচনায় নিয়ে বাকি শাস্তি মওকুফ করা হয়েছে।
এদিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক টুইট বার্তায় বলেন, আমার ভাবনা ও প্রার্থনায় আছে যাজক ব্রনসনকে আমরা শিগগিরই নিরাপদে ফিরে পাব।
আরেকটি টুইট বার্তায় তিনি বলেন, যাজক ব্রনসন মাত্র মুক্ত হলেন। দ্রুতই দেশে ফিরবেন।
ফেতুল্লাহ টেরোরিস্ট অর্গানাইজেশনের(এফইটিও) সদস্য সন্দেহে ব্রনসনকে ২০১৬ সালে ৯ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়। এই বছরের ২৫ জুলাই অসুস্থতার কারণে তাকে জেল থেকে সরিয়ে নিয়ে গৃহবন্দি করার আদেশ দেন একটি ইজমির কোর্ট।
ব্রনসনের বিরুদ্ধে কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির(পিকেকে) এবং এফইটিও’র হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনা হয়। এই পিকেকে’কে একটি সন্ত্রাসী দল হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্র। আর এফইটিও ২০১৬ সালের জুলাই মাসে তুরস্কে আকস্মিক অভ্যুত্থানের পেছনে ছিল।
তুরস্ক ব্রনসনকে আটক করায় দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর দেশ দুটির মধ্যকার সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে।

ফেসবুক মন্তব্য
Share.