জেনে নিন বলিউডের নায়িকারা যেভাবে ত্বকের যত্ন নেন

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

প্রিয় নায়িকার রূপের মায়ায় পড়েননি, এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। কী উপায়ে রূপচর্চা করলে তাদের মতো ত্বক পাওয়া যাবে সে ভাবনা বেশিরভাগ তরুণীর। ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য তাদেরও রয়েছে প্রচেষ্টা। কেমন সেই রূপচর্চার ধরন? চলুন জেনে নেয়া যাক-

ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনঃ বিশ্বসুন্দরীর রূপের রহস্য তো সবাই জানতে চাইবেন। তবে ঐশ্বরিয়ার মতো ত্বক পেতে হলে বেশ যত্ন নেয়ার প্রয়োজন। নিয়মিত ডায়েট এবং এক্সারসাইজের মধ্যে থাকেন বচ্চন পরিবারের পুত্রবধূ। মুখের পোড়াভাব কিংবা কোনোরকম দাগছোপ মেলানোর জন্য তিনি ভরসা করেন ঘরোয়া টোটকার উপরই। বেসন, হলুদ এবং দুধ মিশিয়ে একটা প্যাক বানিয়ে সপ্তাহে তিনদিন লাগান তিনি। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে শসার নির্যাস দিয়ে ফেসপ্যাক বানান।

দীপিকা পাড়ুকোনঃ দীপিকার গম-রঙা গায়ের রং অনেকের কাছেই ঈর্ষণীয়। তবে ত্বক পরিষ্কার রাখার জন্য যথেষ্ট পরিশ্রম করেন তিনি। নিয়মিত দশ থেকে ১২ গ্লাস পানি খান, যাতে শরীর থেকে সব টক্সিন ধুয়ে যায়। পুষ্টিকর খাবার খান, যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন শরীরে যায়। তাছাড়া ত্বক যাতে শুষ্ক না হয়ে যায়, সেজন্য সবসময় ফেসিয়াল মিস্ট ক্যারি করেন।

সোনম কাপুরঃ পরিশ্রম না করলে যে নিখুঁত ত্বক পাওয়া যায় না, তা বিশ্বাস করেন সোনম। কোনো ঘরোয়া টোটকার চেয়েও তিনি নির্ভর করেন ভালো ডায়েটের উপর। সকালের ঘুম থেকে উঠে সোনম প্রথমেই গরম পানিতে লেবুর রস এবং মধু মিশিয়ে খান। এতে শরীরের অনেক টক্সিন বেরিয়ে যায়। এবং ত্বকের জেল্লাও বাড়ে। তাছাড়া ক্লিনজিং, টোনিং এবং ময়েশ্চারাইজিংয়ের রুটিন মেনে চলেন নায়িকা।

কৃতী শ্যাননঃ বাড়ির হালকা খাবার খেতে ভালোবাসেন কৃতী শ্যানন। নিয়মিত এক্সারসাইজ করেন। ক্লিনজিং, টোনিং এবং ময়েশ্চারাইজিংয়ের রুটিন চোখ বন্ধ করে মেনে চলেন। বাড়ি ফিরতে যতই দেরি হোক, শোয়ার আগে তিনি মুখ ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নেন।

আলিয়া ভাটঃ আলিয়া খুব বেশি রূপচর্চা করতে পছন্দ করেন না। সুন্দর ত্বক পাওয়ার জন্য ডায়েট, এক্সারসাইজ এবং যোগ ব্যায়ামের উপরেই ভরসা করেন বেশি। তবে রোজ নিয়ম করে তুলসিপাতা বাটা এবং নিমপাতা বাটা কোনো ফেসপ্যাকের সঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। এতে তার ত্বক সহজেই ডিটক্সিফাই হয়ে যায়। শুকিয়ে গেলে গোলাপ পানি দিয়ে ধুয়ে নেন।

ভিডিও দেখুন ক্লিক করুন

ফেসবুক মন্তব্য
Share.