গণধর্ষণের পর সন্দেশখালির বৃদ্ধার ‌যৌনাঙ্গে ঢোকানো হল কাচের বোতল, চলোহার; রড, গাছের গুঁড়ি! ‘নিষ্ক্রিয়’ পুলিশ

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

১ অগাস্ট। দিল্লি গণধর্ষণকাণ্ডের ছায়া সন্দেশখালিতে। মদ্যপানের প্রতিবাদে গণধর্ষণের শিকার বৃদ্ধা। পরে নৃশংস অত্যাচার। ২৫ দিন পর ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু। একজন ধরা পড়লেও, অধরা বাকি অভিযুক্তরা।
বৃদ্ধার বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি থানার কাছে।

থানার পাশে হোটেল চালাতেন বৃদ্ধা।  ৬ জুলাই রাত ন’টা নাগাদ হোটেল থেকে বাড়ি ফিরছিলেন বৃদ্ধা। রাস্তায় ৪ জনকে মদ্যপান করতে দেখে প্রতিবাদ জানান। এরপরই বাড়ি চলে যান তিনি। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে আচমকাই ঢুকে পড়ে অভিযুক্তরা। ৬২ বছরের বৃদ্ধাকে গণধর্ষণ করা হয়। এমনকী, গণধর্ষণের পরেও চলে পৈশাচিক অত্যাচার।

অভিযোগ, বৃদ্ধার যৌনাঙ্গে কাচের বোতল, লোহার রড ও গাছের গুঁড়ি ঢুকিয়ে চালানো হয় নারকীয় অত্যাচার।
পরিবারের দাবি, ঝোপের মধ্যে বৃদ্ধাকে ফেলে রেখে চম্পট দেয় অভিযুক্তরা। পরদিন সকালে অচেতন অবস্থায় তাঁকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সন্দেশখালির খুলনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় বৃদ্ধাকে।

কিন্তু অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সেখান থেকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। সোমবার সকাল দশটা নাগাদ মৃত্যু হয় নির্যাতিতার।
৮ জুলাই অন্যতম অভিযুক্ত রাজ্যেশ্বর মাইতি ওরফে ভোলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
পরিজনদের দাবি, তদন্ত নিয়ে প্রথম থেকেই উদাসীন পুলিশ। ‌যদিও অভি‌যোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ।

Share.