খাশোগি নিখোঁজ ইস্যুতে সৌদি দূতাবাসে প্রবেশ করেছে একটি দল

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

সাংবাদিক জামাল খাশোগি নিখোঁজের ঘটনা তদন্তে করতে তুরস্কের ইস্তানবুলে সৌদি আরবের দূতাবাসে প্রবেশ করেছে ১২ জনের বেশি সদস্যের একটি দল। তবে তাদের মধ্যে তুরস্ক ও সৌদি আরব উভয় দেশের কর্মকর্তা আছেন কিনা তা স্পষ্ট নয়।সোমবার(১৫ অক্টোবর ২০১৮) আল জাজিরা’য় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।এর আগে একাধিক তুর্কি কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ঘটনাটি তদন্তে গঠিত একটি যৌথ সৌদি-তুর্কি দল দূতাবাসটিতে তল্লাশি চালাবে।এদিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক টুইট বার্তায় জানান, আমি এই মাত্র সৌদি আরবের বাদশাহর সঙ্গে কথা বললাম, যিনি আমাদের সৌদি আরাবিয়ান নাগরিকের বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন যে তারা এই বিষয়ে তুরস্কের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে তাৎক্ষণিক সৌদি বাদশাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য পাঠিয়েছি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।গত ২ অক্টোবর ইস্তানবুলে সৌদি দূতাবাস পরিদর্শনের পর থেকে নিখোঁজ আছেন সৌদি আরবের বিশিষ্ট সমালোচক এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক খাশোগি।এই ঘটনায় তুর্কি কর্মকর্তারা দাবি জানান, খাশোগিকে সৌদি সরকার হত্যা করেছে এবং তাদের কাছে এর প্রমাণ আছে। তাদের কাছে থাকা খাশোগি হত্যার ভিডিও এবং অডিও ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে পাঠিয়েছে।এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে সৌদির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স আব্দুল আজিজ বিন সৌদ বিন নাইফ বিন আব্দুলআজিজ বলেন, খাশোগি কনস্যুলেট প্রবেশের কিছুক্ষণ পরই বের হয়ে যান। এই ঘটনায় পুরো সত্য খুঁজে বের করা হবে।গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে বলেন, খাশোগি তুরস্কের ইস্তানবুলে সৌদি দূতাবাসে খুন হলে সৌদি আরবকে কঠিন শাস্তি পেতে হবে। খাশোগির সঙ্গে বিপজ্জনক কিছুই ঘটেছে কারণ তিনি একজন সাংবাদিক।আমরা এটার শেষ দেখতে চাই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।এর জবাবে রোববার সৌদি সরকার পরিচালিত ‘সৌদি প্রেস এজেন্সি’তে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, খাশোগি নিখোঁজ ইস্যুতে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ, রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ এবং বারবার মিথ্যা অভিযোগ করে সৌদি আরবকে দুর্বল করা যাবে না।

ফেসবুক মন্তব্য
Share.