খালেদ মোশারফের মৃত্যূর ঘন্টা-দূর্ভাগা কর্ণেল তাহের-ভাগ্য বদলে জেনারেল জিয়া

মাহবুব সৈয়দ : খন্দকার মোশতাক সরকারের মন্ত্রী সভা চলছে সংঘে আছে ওসমানী এমন সময় ঝড়ের মতো ঘড়ে ঢুকেন খালেদ মোশারফ কর্ণেল শাফায়েত জামিল সহ চারজন সহশ্র সৈন্যে। খালেদের হাতে কোন অস্ত্র নেই!তবে শাফায়েত জামিল এর হাতে খোলা মেশিনগান।শাফায়েত জামিল প্রেসিডেন্ট মোশতাকের দিকে অস্ত্র তাক করে বললেন আপনি খুনি,আপনার সারা শরিল রক্তে মাখা।বঙ্গবন্ধু সহ চার নেতা কে আপনি ঠান্ডা মাথায় খুন করেছেন। ওশমানী মোশতাক কে আড়াল করে খালেদ মোশারফ কে বললেন খালেদ, তুমি ব্যাবস্থা নাও আর রক্তপাত না-প্লিজ!!! আমি নিজেও রক্তপাত চাচ্ছিনা। খালেদের ইশারায় শাফায়েত জামিল অস্ত্র নামিয়ে বললেন-আপনারা খবর পেয়েছেন কি না ‘জানি না”সেনা প্রধান জেনারেল জিয়া রউফের কাছে পদত্যাগ পএ জমা দিয়ে পেনশন চেয়েছেন।কাগজ পএ আমাদের সাথে আছে।প্রেসিডেন্ট হিসেবে আপনি পদত্যাগ পএ গ্রহন করুন এবং খালেদ মোশারফ (বীর উত্তম)কে সেনা প্রধান করার ব্যাবস্থা করুন। রক্ত শূন্যতা কাটিয়ে প্রেসিডেন্ট মোশতাক বললো-হুট করে কাউকে সেনা প্রধান ঘোষনা করা যায়না।মন্ত্রী সভায় ২৬ জন মন্ত্রী রয়েছে তাদের অনুমোদন লাগবে। কর্ণেল শাফায়েত জামিল আবার অস্ত্র তাক করতেই-প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক এবার বিড় বিড় করে বললেন:মন্ত্রী সভার অনুমোদন ফর্মালিটি ছাড়া কিছুই না।খালেদ মোশারফের সেনা প্রধান হতে আমি কোন ভাদা দেখিনা।মুক্তিযোদ্ধাদের একজন মহাবীর বাংলাদেশের সেনা প্রধান।ভাবতেই ভালো লাগছে। ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফ কে সেনা প্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হলো।কাধে জেনারেলের ব্যাচ পরিয়ে দিলেন এয়ার মার্শাল তোয়াব এবং এডমিরাল এম এইচ খান। ঐ দিনিই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি মিছিল বেড় হয়।(বঙ্গবন্ধু হত্যার পর এটাই ছিল প্রথম মিছিল)মিছিল শেষ হয় ধানমন্ডির বএিশ নম্বর বাড়ীতে সামনে এসে-মিছিলের নেতৃত্ব দেন খালেদ মোশারফের মা বেগম আশরাফুন্নেসা। সেই মিছিল টাই ছিল খালেদ মোশারফের মৃত্যূর ঘন্টা।মিছিল দেখে লোকজন চমকে উঠলেন। দেশে ব্যাপক প্রচারনা চলতে লাগলো,লিফলেট বিলি হতে লাগলো-খালেদ মোশারফের হাত ধরে বাকশাল ফিরে আসছে,বাংলাদেশ হতে যাচ্ছে ভারতের এক করদ রাজ্য। প্রেসিডেন্ট মোশতাক পদত্যাগ করেছেন। মোশতাক ক্ষমতায় বসেছিলেন ভোর বেলায়,ক্ষমতা থেকে বিদায় নিলেন পাঁচ নভেম্বর মধ্যরাতে!!! জিয়াউর রহমান নজর বন্ধি ছিলেন, কিন্তু টেলিফুন সচল ছিলো-এই সুযোগে জিয়া ফুন দিলেন তার এক সময়ের ঘনিষ্ট বন্ধু কর্ণেল তাহের কে। তিনি ব্যাকুল হয়ে বললেন-বন্ধু,আমাকে বাঁচাও।কর্ণেল তাহের বন্ধুর আহবানে সাড়া দিলেন।চিটাগাং থেকে সংঙ্গে সংঙ্গে ঢাকায় আসলেন।জিয়ার মুক্তির বিষয় ত্বরান্বিত হলো,কারন সাধারন সৈনিকেরা ছিলেন কর্ণেল তাহেরের শিষ্য তারা স্লোগানে স্লোগানে ক্যান্টনমেন্ট কাঁপিয়ে তুললেন- সিপাহি সিপাহি ভাই ভাই হাবিলদারের উপর অফিসার নাই- ৭ নভেম্বর-নতুন সেনা প্রধান খালেদ মোশারফ কফির মগ হাতে বসে আছেন অফিস মেসে।সিপাহি বিদ্রোহের কথা তাঁকে জানানো হয়েছে।সাথে আছেন মেজর হুদা ও মেজর হায়দার কে আতংকে অস্তির হয়ে,জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে নানান জায়গায় টেলিফোন করতে লাগলেন। খালেদ মোশারফ একটা সিগেরেট ধরিয়ে স্বাভাবিক ভাবে বললেন-নতুজানু হয়ে জীবন ভিক্ষা করে নিজেদের ছোট না করে মৃত্যূর জন্য প্রস্তুত হওয়া ভালো। ক্যাপ্টেন আসাদ,ক্যাপ্টেন জলিল ও বঙ্গবন্ধু হত্যায় ফাঁসিতে নিহত মহিউদ্দিনের নির্দেশে এই দুই ক্যাপ্টেন”অসীম সাহসী মহাবীর খালেদ মোশারফের বুকে গুলি চালালেন। মহাবীর খালেদ মোশারফ মৃত্যূর কোলে ঢলে পড়লেন। ক্যান্টনমেন্টেরর রাস্তায় খেজুর গাছের নিচে অপমানে ও অবহেলায় পড়ে আছে মহাবীরের দেহ।রাস্তার একটা কুকুর অবাক হয়ে মৃত্যূদেহের দিকে তাকিয়ে আছে!!!!! কর্ণেল তাহেরের অনুগত সৈনদের সাহায্যে জেনারেল জিয়া কে মুক্ত করলো।জিয়া কর্ণেল তাহের কে জড়িয়ে আবেগমথিত কণ্ঠে বললো:বন্ধু তোমার এই উপকার আমি কোনদিন ভুলবো না।তোমার জন্য আমি বেঁচে গেলাম। জিয়া কর্ণেল তাহেরের উপকার মনে রেখেছিলেন না কি-তা আমরা জানি না,তবে জিয়া যে কর্ণেল তাহেরকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়েছিলেন তা সবাই জানি। ক্যান্টনমেন্টের উত্তাপ ঢাকা শহরে প্রবেস করলো না।শহর তার নিজের নিয়মে চলতে লাগলো।নিস্বতরঙ্গ ঢাকা শহর। জেলেদের হাতে ধরা পড়তে লাগলো প্রচুর ইলিশ।বাজারে ইলিশ মাছ সস্তা হওয়া মানে অন্যান্যে মাছ ও সবজির দাম কমে যাওয়া।সাধারন মানুষের কাছে মনে হলো জিয়া সরকার দেশের জন্য মঙ্গল নিয়ে এসেছে। কয়েক দিন পর, প্রহসনের বিচার শুরু হলো ঢাকা কেন্দিয় কারাগারে। মামলার নাম-জিয়া সরকার(রাষ্ট পক্ষ)বনাম-কর্ণেল তাহের ও মেজর জলিল গং।মামলার প্রদান বিচারকের নাম কর্ণেল ইউসূফ হায়দার।মুক্তিযোদ্ধের সময় এই অফিসার মুক্তিযোদ্ধাদে যোগদান না করে”পাকিস্তান সেনা বাহীনির খেদমত করেছেন। ১৭ জুলাই তাকে মৃত্যূদন্ডাদে

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» ‘ঝিনুকদহ ভাষা পরিষদের’ ঘোষিত তিন দিনের কর্মসূচী সফল ভাবে পালিত

» শুভ জন্মদিন- সাদিদুল ইসলাম (সাদিদ)

» কে এই সুন্দরী পুলিশ অফিসার

» চাকরি শুধু নগ্ন হয়ে বসে থাকা, বেতন জানলে চমকে যাবেন

» জামিনে এনে আসামিকে বিয়ে, আইনজীবীকেই হত্যা!

» চসিকের গৃহকর আপিল শুনানি ও অ্যাসেসমেন্ট স্থগিত

» ঝিনাইদহে ‌ঝিনুকদহ ভাষা পরিষদ-র অালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

» পৃথিবীর বাইরে প্রাণের সন্ধান !

» গ্রাম থেকে আসা সেই মানশি এখন কোটি কোটি তরুণীর আদর্শ!

» সিএনজি অটোরিকশাও মিলবে অ্যাপে, ঘোষণা শিগগিরই

» মাগুরায় চলছে অবৈধ সিমের বাজার

» আয়ুর্বেদিক উপাদান হিসেবে নিম পাতার ব্যবহার

» চাঁদে ৫০ কিলোমিটার সুড়ঙ্গের হদিস মিলেছে

» আইফোন এক্সের ভেতরে যা রয়েছে ভিডিও সহ দেখুন

» নেকলেস পরার সঠিক কায়দা-কানুন

Design & Devaloped BY MyhostIT

,

খালেদ মোশারফের মৃত্যূর ঘন্টা-দূর্ভাগা কর্ণেল তাহের-ভাগ্য বদলে জেনারেল জিয়া

মাহবুব সৈয়দ : খন্দকার মোশতাক সরকারের মন্ত্রী সভা চলছে সংঘে আছে ওসমানী এমন সময় ঝড়ের মতো ঘড়ে ঢুকেন খালেদ মোশারফ কর্ণেল শাফায়েত জামিল সহ চারজন সহশ্র সৈন্যে। খালেদের হাতে কোন অস্ত্র নেই!তবে শাফায়েত জামিল এর হাতে খোলা মেশিনগান।শাফায়েত জামিল প্রেসিডেন্ট মোশতাকের দিকে অস্ত্র তাক করে বললেন আপনি খুনি,আপনার সারা শরিল রক্তে মাখা।বঙ্গবন্ধু সহ চার নেতা কে আপনি ঠান্ডা মাথায় খুন করেছেন। ওশমানী মোশতাক কে আড়াল করে খালেদ মোশারফ কে বললেন খালেদ, তুমি ব্যাবস্থা নাও আর রক্তপাত না-প্লিজ!!! আমি নিজেও রক্তপাত চাচ্ছিনা। খালেদের ইশারায় শাফায়েত জামিল অস্ত্র নামিয়ে বললেন-আপনারা খবর পেয়েছেন কি না ‘জানি না”সেনা প্রধান জেনারেল জিয়া রউফের কাছে পদত্যাগ পএ জমা দিয়ে পেনশন চেয়েছেন।কাগজ পএ আমাদের সাথে আছে।প্রেসিডেন্ট হিসেবে আপনি পদত্যাগ পএ গ্রহন করুন এবং খালেদ মোশারফ (বীর উত্তম)কে সেনা প্রধান করার ব্যাবস্থা করুন। রক্ত শূন্যতা কাটিয়ে প্রেসিডেন্ট মোশতাক বললো-হুট করে কাউকে সেনা প্রধান ঘোষনা করা যায়না।মন্ত্রী সভায় ২৬ জন মন্ত্রী রয়েছে তাদের অনুমোদন লাগবে। কর্ণেল শাফায়েত জামিল আবার অস্ত্র তাক করতেই-প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক এবার বিড় বিড় করে বললেন:মন্ত্রী সভার অনুমোদন ফর্মালিটি ছাড়া কিছুই না।খালেদ মোশারফের সেনা প্রধান হতে আমি কোন ভাদা দেখিনা।মুক্তিযোদ্ধাদের একজন মহাবীর বাংলাদেশের সেনা প্রধান।ভাবতেই ভালো লাগছে। ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফ কে সেনা প্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হলো।কাধে জেনারেলের ব্যাচ পরিয়ে দিলেন এয়ার মার্শাল তোয়াব এবং এডমিরাল এম এইচ খান। ঐ দিনিই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি মিছিল বেড় হয়।(বঙ্গবন্ধু হত্যার পর এটাই ছিল প্রথম মিছিল)মিছিল শেষ হয় ধানমন্ডির বএিশ নম্বর বাড়ীতে সামনে এসে-মিছিলের নেতৃত্ব দেন খালেদ মোশারফের মা বেগম আশরাফুন্নেসা। সেই মিছিল টাই ছিল খালেদ মোশারফের মৃত্যূর ঘন্টা।মিছিল দেখে লোকজন চমকে উঠলেন। দেশে ব্যাপক প্রচারনা চলতে লাগলো,লিফলেট বিলি হতে লাগলো-খালেদ মোশারফের হাত ধরে বাকশাল ফিরে আসছে,বাংলাদেশ হতে যাচ্ছে ভারতের এক করদ রাজ্য। প্রেসিডেন্ট মোশতাক পদত্যাগ করেছেন। মোশতাক ক্ষমতায় বসেছিলেন ভোর বেলায়,ক্ষমতা থেকে বিদায় নিলেন পাঁচ নভেম্বর মধ্যরাতে!!! জিয়াউর রহমান নজর বন্ধি ছিলেন, কিন্তু টেলিফুন সচল ছিলো-এই সুযোগে জিয়া ফুন দিলেন তার এক সময়ের ঘনিষ্ট বন্ধু কর্ণেল তাহের কে। তিনি ব্যাকুল হয়ে বললেন-বন্ধু,আমাকে বাঁচাও।কর্ণেল তাহের বন্ধুর আহবানে সাড়া দিলেন।চিটাগাং থেকে সংঙ্গে সংঙ্গে ঢাকায় আসলেন।জিয়ার মুক্তির বিষয় ত্বরান্বিত হলো,কারন সাধারন সৈনিকেরা ছিলেন কর্ণেল তাহেরের শিষ্য তারা স্লোগানে স্লোগানে ক্যান্টনমেন্ট কাঁপিয়ে তুললেন- সিপাহি সিপাহি ভাই ভাই হাবিলদারের উপর অফিসার নাই- ৭ নভেম্বর-নতুন সেনা প্রধান খালেদ মোশারফ কফির মগ হাতে বসে আছেন অফিস মেসে।সিপাহি বিদ্রোহের কথা তাঁকে জানানো হয়েছে।সাথে আছেন মেজর হুদা ও মেজর হায়দার কে আতংকে অস্তির হয়ে,জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে নানান জায়গায় টেলিফোন করতে লাগলেন। খালেদ মোশারফ একটা সিগেরেট ধরিয়ে স্বাভাবিক ভাবে বললেন-নতুজানু হয়ে জীবন ভিক্ষা করে নিজেদের ছোট না করে মৃত্যূর জন্য প্রস্তুত হওয়া ভালো। ক্যাপ্টেন আসাদ,ক্যাপ্টেন জলিল ও বঙ্গবন্ধু হত্যায় ফাঁসিতে নিহত মহিউদ্দিনের নির্দেশে এই দুই ক্যাপ্টেন”অসীম সাহসী মহাবীর খালেদ মোশারফের বুকে গুলি চালালেন। মহাবীর খালেদ মোশারফ মৃত্যূর কোলে ঢলে পড়লেন। ক্যান্টনমেন্টেরর রাস্তায় খেজুর গাছের নিচে অপমানে ও অবহেলায় পড়ে আছে মহাবীরের দেহ।রাস্তার একটা কুকুর অবাক হয়ে মৃত্যূদেহের দিকে তাকিয়ে আছে!!!!! কর্ণেল তাহেরের অনুগত সৈনদের সাহায্যে জেনারেল জিয়া কে মুক্ত করলো।জিয়া কর্ণেল তাহের কে জড়িয়ে আবেগমথিত কণ্ঠে বললো:বন্ধু তোমার এই উপকার আমি কোনদিন ভুলবো না।তোমার জন্য আমি বেঁচে গেলাম। জিয়া কর্ণেল তাহেরের উপকার মনে রেখেছিলেন না কি-তা আমরা জানি না,তবে জিয়া যে কর্ণেল তাহেরকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়েছিলেন তা সবাই জানি। ক্যান্টনমেন্টের উত্তাপ ঢাকা শহরে প্রবেস করলো না।শহর তার নিজের নিয়মে চলতে লাগলো।নিস্বতরঙ্গ ঢাকা শহর। জেলেদের হাতে ধরা পড়তে লাগলো প্রচুর ইলিশ।বাজারে ইলিশ মাছ সস্তা হওয়া মানে অন্যান্যে মাছ ও সবজির দাম কমে যাওয়া।সাধারন মানুষের কাছে মনে হলো জিয়া সরকার দেশের জন্য মঙ্গল নিয়ে এসেছে। কয়েক দিন পর, প্রহসনের বিচার শুরু হলো ঢাকা কেন্দিয় কারাগারে। মামলার নাম-জিয়া সরকার(রাষ্ট পক্ষ)বনাম-কর্ণেল তাহের ও মেজর জলিল গং।মামলার প্রদান বিচারকের নাম কর্ণেল ইউসূফ হায়দার।মুক্তিযোদ্ধের সময় এই অফিসার মুক্তিযোদ্ধাদে যোগদান না করে”পাকিস্তান সেনা বাহীনির খেদমত করেছেন। ১৭ জুলাই তাকে মৃত্যূদন্ডাদে

Facebook Comments

সর্বশেষ আপডেট



এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



   

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতঃ ২০১৭ । বিডি টাইপ পত্রিকা আগামী প্রজন্মের মিডিয়া

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি