কীভাবে আমি আমার স্বপ্নের গাড়ি কেনার জন্য মাত্র চার মাসে 1,43,00,000 টাকা আয় করেছি

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

আপনার কাছে কি পর্যাপ্ত অর্থ আছে? আপনার কল্পনার সব কিছু কি আপনার কাছে আছে? আপনার জীবন যেভাবে চলছে তা নিয়ে কি আপনি খুশি? আপনার উত্তর যদি ‘হ্যাঁ’ হয় তাহলে আপনার সময় নষ্ট করবেন না এবং পেইজটি বন্ধ করুন।

যাদের উত্তর ‘না’ তারা পড়ুন। কীভাবে আপনার বিরক্তিকর পূর্ণকালীন চাকরি ছাড়তে হয় ও বাসায় বসে স্বচ্ছন্দে মাত্র 2 দিনে প্রতিদিন 32,000 টাকা থেকে 48,000 টাকা আয় করা যায় তা আমি আপনাকে বলব।

আমি এতে সফল হয়েছি এবং আপনি যদি চান, আপনিও সফল হতে পারবেন! আমি যদি গোপন বিষয়টি আপনার সাথে শেয়ার করি তবে এতে আমার কোনো ক্ষতি হবে না, যেখানে এটি আপনাদের মধ্য থেকে কয়েকজনের জীবন চিরদিনের জন্য পরিবর্তন করে দিতে সাহায্য করবে এবং চূড়ান্তভাবে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এনে দেবে।

প্রথমে আমার সম্বন্ধে কিছু কথা বলে নেই। আমার নাম করিম মণ্ডল। আমার বয়স 26, আমি রাজশাহী থাকি এবং আমি এমন একটি পরিবারের একজন সাধারণ মানুষ, যে পরিবারটিকে কোনোভাবেই সচ্ছল বলা যায় না। আমি মধ্যবয়স্ক পিতা-মাতার একজন সন্তান। আমার মা একটি ক্লিনিকের একজন নার্স এবং আমার বাবা একজন ট্রাক ড্রাইভার ছিলেন।

আমি যখন ছোট ছিলাম, আমার মনে আছে, সম্ভাব্য সবচেয়ে সস্তা খাবার ও পোশাক কেনার জন্য আমার পিতা-মাতা সর্বোচ্চ চেষ্টা করতেন। তারা যদি যথেষ্ট সৌভাগ্যবান হতেন, তবে তারা ছুটি কাটানোর জন্য অল্প কিছু সঞ্চয় করতে পারতেন। আমরা 3 বা 4 বছরে ভারত ভ্রমণে যেতে পারতাম।

আমি মাধ্যমিক স্কুল থেকে গ্র্যাজুয়েট সম্পন্ন করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার কথা চিন্তাও করতে পারিনি, কারণ জরুরি ভিত্তিতে আমাকে আমার পিতা-মাতা (ইতোমধ্যে অবসরে চলে আসা) ও নিজের জন্য অর্থ উপার্জন করতে হতো।

তাই এর পরিবর্তে আমি একটি কাজ খোঁজে নেই, একজন বিক্রয় সহকারীর কাজ, যেখানে মাসিক বেতন ছিল আনুমানিক 36,000 টাকা। সময়টি ছিল 2008 সাল এবং রাজশাহীতে চাকুরী শুরু করার ক্ষেত্রে এই বেতন যথেষ্ট ভালো ছিল।

আমি বেঁচে থাকার জন্য যথেষ্ঠ উপার্জন করেছি, তবে আমার একটি স্বপ্ন ছিল, যা ছিল একটি সম্পূর্ণ নতুন Porsche ক্রয় করার। আমি জানতাম, এটি অত্যধিক ব্যয়বহুল এবং আমাকে কয়েক বছর ধরে সঞ্চয় করতে হবে। তবে, আমার জন্য এটি চমৎকার ছিল। মোটের উপর, এটি ছিল একটি স্বপ্ন এবং আপনি এক বা দুই দিনের মধ্যে আপনার স্বপ্নকে সত্যি করতে পারবেন না। আমি তখন যা ভাবছিলাম…

তখন আমি আমার আর্থিক অবস্থা নিয়ে যথেষ্ট হতাশ ছিলাম, মূল্যস্ফীতির কারণে পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া শুরু হয়েছিল এবং রাজশাহীতে বসবাস করা অনেক কঠিন হয়ে যাচ্ছিল। মানুষ হতাশ ছিল, তবে আমি জানতাম আমাকে কাজ চালিয়ে যেতে হবে…

যাহোক, আরও 3 মাস কেটে গেল এবং আমি যে শিশুদের পোশাকের দোকানে কাজ করতাম তা দেউলিয়া হয়ে যায়, তাই আমার চাকরি চলে যায় বা আমার আয়ের আর কোনো উৎস ছিল না, তখন আমাকে শুধু আমার পিতা-মাতার অবসরকালীন সুবিধাদি নিয়ে বেঁচে থাকতে হয়েছে।

এই সময়টি ছিল নিরানন্দময়। আমি ইন্টারনেটে মরিয়া হয়ে সম্ভাব্য যেকোনো কাজ খুঁজতে থাকি, তবে প্রায় দুই মাস পরও আদৌ কোনো ফল পাইনি।

আরো দুই সপ্তাহ চলে গেল এবং আমি প্রায় সকল আশাই ত্যাগ করতে যাচ্ছিলাম, তখন আমি হঠাৎ করে একটি ওয়েব পেইজ দেখতে পাই। এটি ছিল একজন মানুষের একটি গল্প, যিনি নিজের বাড়ি থেকে বের না হয়ে কম্পিউটারের সামনে বসে থেকেই ইন্টারনেট থেকে 7,20,000 টাকা আয় করেছেন।

তিনি বলেন, তিনি Olymp Trade বাইনারি অপশনসে ট্রেড করেছেন।

আমার মাথা ঘুরছিল। এটি কি আমার কাঙ্খিত একটি সুযোগ হতে পারে যা সারা জীবনে একবারই আসে?

প্রথমে আমি তেমন কিছুই বুঝতাম না, তবে আমি এই বিষয়ে অনেক তথ্য, ওয়েবসাইট, ফোরাম, ব্লগ ও অন্যান্য উৎস নিয়ে গবেষণা করতে শুরু করি এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে এই বিষয়ে আমার বেশ ভালো ধারণা জন্মায়। আমি এখনো মনে করতে পারছি, তখন আমি খুব ভালো অনুভব করছিলাম। একটি ভাবতেই খুব চমৎকার লাগছিলো যে আমি একজন বিশেষজ্ঞ হয়ে গেছি এবং এখন অনলাইনে নগদ অর্থ আয় করতে পারবো…

এখন আমি কিছুক্ষণের জন্য আমার গল্পটি বাদ দিচ্ছি, কারণ আমি কোন বিষয়ে কথা বলছি সে বিষয়ে আপনাদেরকেও কিছু জানাতে চাই। বাইনারি অপশনস বলতে কী বোঝায় আমি তা আপনাদেরকে এখন খুব সংক্ষেপে বলবো, যেন আপনাদেরকে আমার মত কয়েক ডজন ওয়েবসাইট নিয়ে গবেষণা করতে না হয়। আমি আপনাদের প্রচুর সময় ও প্রচেষ্টা বাঁচিয়ে দেবে।

ফেসবুক মন্তব্য
Share.