এখনও গ্রেপ্তার হয়নি স্কুল ছাত্রী বিউটি হত্যার প্রধান আসামি

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে আলোচিত স্কুল ছাত্রী বিউটি হত্যা ও ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বাবুল মিয়া এখনও পুলিশের ধরা ছোঁয়ার বাহিরে রয়েছে। শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিছুর রহমান আরটিভি অনলাইনকে জানান, বিউটি হত্যাকাণ্ডের দুই আসামিকে আটক করেছে পুলিশ। প্রধান আসামি বাবুলকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যেই বাবুলকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবো।কিন্তু হত্যাকাণ্ডের ১০দিন পার হলেও বাবুল মিয়া গ্রেপ্তার না হওয়ায় শায়েস্তাগঞ্জবাসী ও বিউটির পরিবারের চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শায়েস্তাগঞ্জের ব্রাহ্মনডোরা গ্রামের সায়েদ আলীর কন্যা ও স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী বিউটি আক্তার (১৫) এর সঙ্গে একই গ্রামের মলাই মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বাবুল গত ২১ জানুয়ারি বিউটিকে জোর করে অপহরণ করে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে কৌশলে বিউটিকে তার বাড়িতে রেখে পালিয়ে যায়। এঘটনায় ১ মার্চ বিউটি আক্তারের বাবা সায়েদ আলী বাদী হয়ে বাবুল ও তার মা ইউপি সদস্য কলম চাঁনের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ৪ মার্চ শায়েস্তাগঞ্জ থানায় প্রেরণ করা হলে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।পরে সায়েদ আলী ১৬ মার্চ বিউটি আক্তারকে লাখাই উপজেলার গুনিপুর গ্রামে তার নানার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। ওই রাতেই বিউটি আক্তার নানার বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। অনেক স্থানে খোঁজাখুজির পর কোথাও না পেয়ে পরদিন ১৭ মার্চ সকালে শায়েস্তাগঞ্জ হাওরে বিউটি আক্তারের লাশ পাওয়া যায়। এরপর থেকে বাবুল পলাতক রয়েছে।এদিকে বিউটিকে হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে পরদিন তার বাবা বাদী হয়ে বাবুল মিয়া ও দুই জনসহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে ২১ মার্চ পুলিশ বাবুলের মা ইউপি সদস্য কলম চাঁন ও ঈসমাইল নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশ।

ফেসবুক মন্তব্য
Share.